যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে টপকে শীর্ষে ভিয়েতনাম





যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীনের উদ্যোক্তারা নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তার কাছাকাছি যাওয়াও অন্য প্রতিযোগী দেশের জন্য স্বপ্নের ব্যাপার। অথচ অবিশ্বাস্য সেই ঘটনাটি করোনাকালে ঘটে গেছে। চলতি বছরের চার মাসে চীনের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪৬ শতাংশ। সেই সুযোগে চীনকে টপকে বাজারটিতে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে ভিয়েতনাম।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়ানোর পর থেকেই একটু একটু করে চীনের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছিল। তবে গত ডিসেম্বরে উহানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর সেটি ব্যাপকভাবে কমে যায়। গত বছর চীন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২ হাজার ৪৮৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। তখন তাদের রপ্তানি কমেছিল ৯ শতাংশ। অথচ করোনার কারণে জানুয়ারিতে রপ্তানি কমে যায় ৩৬ শতাংশ। এপ্রিল শেষে চীনের রপ্তানি ৩৮৯ কোটি ডলার হলেও তা গত বছরের প্রথম চার মাসের চেয়ে ৪৬ শতাংশ কম। অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ভিয়েতনাম ৪১৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। তাদের রপ্তানি ১ দশমিক ৩১ শতাংশ কমলেও চীনের চেয়ে ২৯ কোটি ডলার বেশি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থানের মুকুটটি এখন ভিয়েতনামের।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবিযুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীনের উদ্যোক্তারা নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তার কাছাকাছি যাওয়াও অন্য প্রতিযোগী দেশের জন্য স্বপ্নের ব্যাপার। অথচ অবিশ্বাস্য সেই ঘটনাটি করোনাকালে ঘটে গেছে। চলতি বছরের চার মাসে চীনের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪৬ শতাংশ। সেই সুযোগে চীনকে টপকে বাজারটিতে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে ভিয়েতনাম।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়ানোর পর থেকেই একটু একটু করে চীনের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছিল। তবে গত ডিসেম্বরে উহানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর সেটি ব্যাপকভাবে কমে যায়। গত বছর চীন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২ হাজার ৪৮৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। তখন তাদের রপ্তানি কমেছিল ৯ শতাংশ। অথচ করোনার কারণে জানুয়ারিতে রপ্তানি কমে যায় ৩৬ শতাংশ। এপ্রিল শেষে চীনের রপ্তানি ৩৮৯ কোটি ডলার হলেও তা গত বছরের প্রথম চার মাসের চেয়ে ৪৬ শতাংশ কম। অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ভিয়েতনাম ৪১৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। তাদের রপ্তানি ১ দশমিক ৩১ শতাংশ কমলেও চীনের চেয়ে ২৯ কোটি ডলার বেশি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থানের মুকুটটি এখন ভিয়েতনামের।
চীনকে টপকে ভিয়েতনাম এক নম্বর স্থান দখল করলেও বাংলাদেশ আগের মতোই তৃতীয় অবস্থানেই রয়েছে। তবে চীন ও ভিয়েতনামের রপ্তানি কমলেও বাংলাদেশের কিছুটা বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০৭ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।
ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্স অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের পোশাক আমদানির এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান দিয়েছে। তারা বলছে, করোনার কারণে গতবারের চেয়ে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে সাড়ে ১৯ শতাংশ পোশাক আমদানি কমেছে। আমদানির পরিমাণ ২ হাজার ১২৬ কোটি ডলারের পোশাক।অটেক্সার পরিসংখ্যান দেখলে মনে হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে করোনার প্রভাব পড়েনি। বিষয়টি আসলে তা নয়। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছার পর তা হিসাবে নেওয়া হয়। ফলে এপ্রিলের হিসাবে যে রপ্তানি দেখানো হয়েছে তা ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ কিংবা মার্চে জাহাজীকরণ হয়েছিল বলে জানান রপ্তানিকারকেরা।
করোনায় প্রথম ধাক্কায় ৩১৮ কোটি ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থগিত হওয়ায় পোশাক রপ্তানি ব্যাপকহারে কমে গেছে। নতুন ক্রয়াদেশের পরিমাণও কম। পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ দাবি করেছে, কোনো কারখানায় সামর্থ্যের শতভাগ ব্যবহার করতে পারছে না। ৩৫ শতাংশ সক্ষমতায় কারখানা সচল রাখার ঘটনাও আছে। বড় কারখানা ৬০ শতাংশের বেশি সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না। চলতি জুনে কারখানাগুলো গড়ে ৫৫ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করে উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখছে। জুলাই পরিস্থিতি এখনই অনুমান করা কঠিন।
এদিকে চীনের রপ্তানি কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ উপকৃত হবে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, করোনার কারণে পোশাকের চাহিদা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যাআগামী এক বছর অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে।
অবশ্য বিজিএমইএর সহসভাপতি আরশাদ জামাল সম্প্রতি প্রথম আলোর এই প্রতিবেদকে বলেন, বর্তমানে ক্রেতারা যে পরিমাণে স্যাম্পল করাচ্ছেন তাতে মনে হচ্ছে ৩০-৪০ শতাংশ ক্রয়াদেশ কমে যাবে। তবে করোনাসহ নানা কারণে বিদেশি ক্রেতা ও ব্র্যান্ড চীন থেকে ক্রয়াদেশ সরালে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার অধিকাংশ কারখানা ম্যান মেইড ফাইবারের (কৃত্রিম তন্তু) পোশাক উৎপাদন করে। আর আমাদের ৭৫ শতাংশ কারখানা সুতি কাপড়ের পোশাক উৎপাদনে নিয়োজিত। তাই সুযোগ আছে।
এদিকে শুধু চীন ও ভিয়েতনাম নয়, প্রতিযোগী দেশ ইন্দোনেশিয়া ও ভারত থেকে প্রবৃদ্ধির হিসাবে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ১৩ শতাংশ।অথচ ভারতের কমেছে ১৩ শতাংশ। দেশটি রপ্তানি করেছে মাত্র ১৩৬ কোটি ডলারের পোশাক। আর ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি করেছে ১৪৩ কোটি ডলারের পোশাক, যা গত বছরের একইসময়ের চেয়ে ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ কম।
Collected News প্রথম আলো

No comments

Welcome to join our family. Apparel Merchandiser Club of Bangladesh Ltd. Est. On : 04-09-2009 Year 11 Govt. REG No:C 101387 । সদস্য হউন –MEMBERSHIP OPEN FOR ALL .আগ্রহীরা Kindly fill-up below Membership Form http://bit.ly/2DqMC3p

Theme images by mariusFM77. Powered by Blogger.